৯০ হাজার ডলার ‘আত্মসাতের ঘটনা থেকে বাঁচতেই’ ফাহিমকে হত্যা

অনলাইন ডেস্কঃ পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশী ফাহিম সালেহকে (৩৩) হত্যার অভিযোগে তার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী টেরেস ডেভোন…

আজ থেকে খালি চোখেই টানা ২০ দিন দেখা যাবে ধূমকেতু!

গত মাসে সূর্য গ্রহণের পরে আবারো মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হতে চলেছে ভারতসহ বিশ্বের আরো অন্যান্য দেশ।…

বিশ্বকে বদলে দেয়া উদ্যোগ অ্যামাজন…

২৬ বছর আগে গৃহীত ছোট একটি উদ্যোগ বিশ্বকে বদলে দিয়েছে। ১৯৯৪ সালের ৫ জুলাই জেফ্রি বেজোস (জেফ বেজোস) নামে এক ব্যক্তি ‘অ্যামাজন’ নামে একটি কোম্পানি নিবন্ধন করেছিলেন, যা এরই মধ্যে মানুষের খরচের ধরন এবং ভোক্তাদের পণ্য কেনার আচরণে আমূল পরিবর্তন এনেছে। এ পর্যন্ত আসতে জেফ বেজোস ও অ্যামাজনকে অনেক চড়াই-উতরাই পেরোতে হয়েছে। অ্যামাজনের কল্যাণে বেজোস এখন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তি এবং অ্যামাজন ব্যক্তি খাতের অন্যতম দামি ও বৃহৎ কোম্পানি। বেজোস ও অ্যামাজনের ২০টি অজানা তথ্য নিয়ে আয়োজনের আজ প্রথম পর্ব— ‘অ্যামাজন’ নামটি অনভিপ্রেত ছিল: বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় খুচরা পণ্য বিক্রেতা অ্যামাজন, কিন্তু এর কোনো দোকান নেই। উদ্যোগের নাম ‘অ্যামাজন’ দেয়ার পরিকল্পনা ছিল না জেফ বেজোসের। তিনি জাদুকরী শব্দ অ্যাব্রাক্যাডাব্রার সঙ্গে মিল রেখে উদ্যোগের নাম ‘ক্যাডাব্রা’ রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ক্যাডাব্রার উচ্চারণ ক্যাডাভার (মরদেহ) শব্দের সঙ্গে মিল থাকায় নামটি এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বেজোসকে রাজি করাতে পেরেছিলেন তার আইনজীবী। দ্বিতীয় নির্ধারিত নামটিও অ্যামাজন ছিল না: জেফ বেজোস তার উদ্যোগের জন্য দ্বিতীয় যে নাম দিতে চেয়েছিলেন, সেটিও অ্যামাজন ছিল না। ক্যাডাব্রা বাদ দেয়ার পর উদ্যোগের নাম ‘রিলেন্টলেস’ দিতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এ নামটিও কোনো কারণে বাদ পড়ে। লোগোতে ‘এ’ ও ‘জি’ ব্যবহারের কারণ: অ্যামাজনের লোগো দেখতে স্মাইলির মতো। এর মাধ্যমে কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে। অর্থাৎ ‘আমরা পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে, সব ধরনের জিনিসপত্র সরবরাহ করতে পেরে খুশি’। পরবর্তী সময়ে অ্যামাজন জানায়, ভোক্তা চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের পণ্য সরবরাহই অ্যামাজনের প্রধান লক্ষ্য। অর্থাৎ আমরা এ টু জি সর্বত্রই আছি। প্রকৌশলী নিয়োগে ডেটিং অ্যাপ ব্যবহার: ২০১৭ সালে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের প্রকৌশলী নিয়োগের জন্য ডেটিং অ্যাপ টিন্ডার ব্যবহার করেছিল অ্যামাজন। টিন্ডারে দেয়া বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, আপনি যদি অ্যামাজনের ক্লাউড সেবা বিভাগে কাজ করতে আগ্রহী হয়ে থাকেন, তাহলে ডান দিকে সোয়াইপ করুন। অ্যাপল প্রতি মাসে অ্যামাজনকে ৩ কোটি ডলার পরিশোধ করে: অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসের সেবা ব্যবহারের জন্য প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপল প্রতি মাসে অ্যামাজনকে ৩ কোটি ডলার পরিশোধ করে আসছে। অ্যাপলের দাবি, বিশ্বব্যাপী শতকোটি আইফোন ডিভাইস ব্যবহার হচ্ছে। এ বিপুলসংখ্যক আইফোন ব্যবহারকারী প্রতিনিয়ত অসংখ্য তথ্য উৎপাদন করছে, যা সংরক্ষণে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস ব্যবহার করছে অ্যাপল। অ্যামাজনে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন নিষিদ্ধ: ২০০৪ সালে কর্মীদের বিভিন্ন বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন দেয়া আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করে অ্যামাজন। এর পরিবর্তে কর্মীদের চার থেকে ছয় পেজের মধ্যে নতুন আইডিয়া বিষয়ে লেখার পরামর্শ দেয়া হয়। পে টু কুইট প্রোগ্রাম: কর্মীদের জন্য ‘পে টু কুইট’ অফার চালু আছে অ্যামাজনে। অর্থাৎ কোনো কর্মী স্বেচ্ছায় অ্যামাজন ছাড়তে চাইলে তাকে ৫ হাজার ডলার পরিশোধ করে প্রতিষ্ঠানটি। কর্মীরা অ্যামাজনকে কতটা ভালোবাসে সেটা যাচাই করার জন্য এ প্রোগ্রাম। কোনো কর্মী এ প্রোগ্রামের আওতায় অ্যামাজন ছাড়লে তিনি স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠানটিতে কাজের সুযোগ হারান। অ্যামাজনে রোবটের আধিপত্য: বিশ্বব্যাপী অ্যামাজনের ওয়্যারহাউজগুলোতে ৪৫ হাজারের বেশি রোবট কাজ করছে। পণ্য সরবরাহ কার্যক্রম আরো উন্নত ও সহজ করতে ক্রমান্বয়ে রোবটের সংখ্যা বাড়াচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। বই ছিল প্রথম বিক্রীত পণ্য: অ্যামাজনের কার্যক্রম শুরুই হয়েছিল ইন্টারনেটভিত্তিক বই কেনাবেচার ওয়েবসাইট হিসেবে। ১৯৯৫ সালের ৩ এপ্রিল ‘ফ্লুইড কনসেপ্টস অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ অ্যানালজিস’ নামে প্রথম বই বিক্রি করে অ্যামাজন। যদিও অ্যামাজন ডটকম এখন সব ধরনের পণ্য বিক্রি করছে। বিশ্বব্যাপী পণ্য ক্রয়ের সুবিধা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সূত্র: গ্যাজেটস নাউ

ফাইভজি ফোন বিক্রি ২০ কোটি ইউনিট ছাড়াবে

অনলাইন প্রতিবেদকঃ চলতি বছর পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ফাইভজি সমর্থিত ফোন বিক্রি ২০ কোটি ইউনিট ছাড়াবে। বিশ্বের অনেক বাজারে ফাইভজির বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরু হওয়ায় ফাইভজি ফোন বিক্রিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধির আশা করা হচ্ছে। মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকসের এক প্রতিবেদনে এমনটাই পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। খবর ফোন রাডার। গোল্ডম্যান স্যাকসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছর যতসংখ্যক ইউনিট ফাইভজি ফোন বিক্রি হবে, তা গত বছর বিক্রি হওয়া ফাইভজি ফোনের চেয়ে ২০ গুণ বেশি। চলতি বছর বেশির ভাগ ফাইভজি ফোন বিক্রি হবে চীনের বাজারে। দেশটির শতাধিক শহরে এরই মধ্যে ফাইভজি নেটওয়ার্ক সেবা চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে চলতি বছর ফাইভজি বেস স্টেশন স্থাপন বৃদ্ধি পাবে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সেলফোন অপারেটরগুলো ফাইভজি প্রযুক্তিতে সেবা দিতে কার্যক্রম জোরদার করেছে। বিশ্বজুড়ে গত বছর ৩২টি দেশ এবং অঞ্চল ফাইভজি নেটওয়ার্কের বাণিজ্যিক অ্যাপ্লিকেশনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে। এছাড়া গত বছরের মাঝামাঝি সময় ৬০টি নেটওয়ার্ক অপারেটর কোম্পানি বাণিজ্যিকভাবে ফাইভজির কার্যক্রম শুরু করেছে। এ সংখ্যা গত বছরের ডিসেম্বর শেষে ৬৫টিতে পৌঁছেছে। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ফাইভজি সমর্থিত ফোন বিক্রি ৫৪ লাখ ইউনিট ছাড়িয়েছে। চায়না ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি একাডেমি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে। বৈশ্বিক টেলিযোগাযোগ খাতে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ফাইভজি। একই সঙ্গে ফাইভজি সমর্থিত স্মার্টফোন ডিভাইসের চাহিদা বাড়ছে। টেলিযোগাযোগ খাতের গুরুত্বপূর্ণ বাজার চীন ফাইভজির বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরুতে এগিয়ে রয়েছে। যে কারণে দেশটিতে ফাইভজি ফোনের চাহিদা বেড়েছে। বিভিন্ন ডিভাইস ব্র্যান্ড গত বছরের শেষ মাসে চীনে ৩৫টি মডেলের নতুন স্মার্টফোন উন্মোচন করেছে। একই সময় দেশটিতে সরবরাহকৃত মোট স্মার্টফোনের মধ্যে ৫৪ লাখ ১৪ হাজার ইউনিট ফাইভজি স্মার্টফোন ছিল। এছাড়া গত ডিসেম্বরে চীনের ব্র্যান্ডগুলো আরো ১১টি নতুন ফাইভজি ফোন উন্মোচনের জন্য তালিকাভুক্ত করেছে। সামগ্রিকভাবে গত বছর দেশটিতে স্মার্টফোন সরবরাহ ৩৮ কোটি ৯০ লাখ ইউনিটে পৌঁছেছে এবং বছরজুড়ে ফাইভজি সমর্থিত স্মার্টফোন বিক্রি ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬৯ হাজার ইউনিটে পৌঁছেছে। বিভিন্ন বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর বৈশ্বিক ফাইভজি স্মার্টফোন বাজারে নেতৃত্ব দেবে চীনভিত্তিক হুয়াওয়ে। বাজারটিতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে থাকবে যথাক্রমে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপল ও দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক স্যামসাং। চায়না ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি একাডেমির প্রতিবেদনে চীনে পাওয়া যাচ্ছে এমন ফাইভজি স্মার্টফোন সিরিজের একটি তালিকা দেয়া হয়েছে। এগুলো হলো জিটিই অ্যাক্সন ১০ প্রো ফাইভজি, হুয়াওয়ে মেট ২০এক্স ফাইভজি, হুয়াওয়ে মেট ৩০ সিরিজ, হুয়াওয়ে মেট এক্স (ফোল্ডিং), অনার ভি৩০ সিরিজ, চায়না মোবাইল পাইওনিয়ার এক্স১, ভিভো আইকিউওও প্রো ফাইভজি, ভিভো নেক্স৩ ফাইভজি, স্যামসাং নোট ১০ প্লাস ফাইভজি, শাওমি মি৯ প্রো ফাইভজি, হুয়াওয়ে নোভা ৬ ও অপো রেনো৩ প্রো ইত্যাদি। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ডাটা করপোরেশন (আইডিসি) এর আগে জানিয়েছিল, চলতি বছর চীনের স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলোর ডিভাইস সরবরাহে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা যাবে, যা গত বছরের চেয়ে দশমিক ৭ শতাংশ বেশি হতে পারে। এছাড়া চলতি বছর দেশটিতে ফাইভজি স্মার্টফোন সরবরাহে গত বছরের চেয়ে ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা যাবে। ‘চায়না মোবাইল ২০২০ টার্মিনাল প্রডাক্ট প্ল্যান’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছর চীনের ফাইভজি স্মার্টফোন বাজারের আকার ১৫ কোটি ইউনিটে পৌঁছবে। এছাড়া চলতি বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে ফাইভজি ফোনের দাম এখনকার চেয়ে এক-দেড় হাজার ইউয়ান কমবে। বিশ্বের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টেলিযোগাযোগ বাজারে ফাইভজির বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরু হয়েছে। বাণিজ্যিক ব্যবহারের দিক থেকে ফোরজির চেয়ে ফাইভজির বিস্তার দ্রুত হচ্ছে। উন্নত ও দ্রুতগতির এ নেটওয়ার্ক সেবা ব্যবহারে ফাইভজি সমর্থিত স্মার্টফোন প্রয়োজন। যে কারণে ফাইভজি সমর্থিত স্মার্টফোনের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। একই সঙ্গে ফাইভজি ফোনের চাহিদা বৃদ্ধি সামগ্রিক স্মার্টফোন বাজারের মন্দা ভাব কাটিয়ে উঠতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। বিশ্বজুড়ে ফাইভজির পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরুর লক্ষ্যে কার্যক্রম জোরদার করেছে সেলফোন অপারেটরগুলো। এ মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকেও ফোরজির চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। চলতি বছর পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ফাইভজি সমর্থিত ফোন বিক্রি ২০ কোটি ইউনিট ছাড়াবে। বিশ্বের অনেক বাজারে ফাইভজির বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরু হওয়ায় ফাইভজি ফোন বিক্রিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধির আশা করা হচ্ছে। মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকসের এক প্রতিবেদনে এমনটাই পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। খবর ফোন রাডার। গোল্ডম্যান স্যাকসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছর যতসংখ্যক ইউনিট ফাইভজি ফোন বিক্রি হবে, তা গত বছর বিক্রি হওয়া ফাইভজি ফোনের চেয়ে ২০ গুণ বেশি। চলতি বছর বেশির ভাগ ফাইভজি ফোন বিক্রি হবে চীনের বাজারে। দেশটির শতাধিক শহরে এরই মধ্যে ফাইভজি নেটওয়ার্ক সেবা চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে চলতি বছর ফাইভজি বেস স্টেশন স্থাপন বৃদ্ধি পাবে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সেলফোন অপারেটরগুলো ফাইভজি প্রযুক্তিতে সেবা দিতে কার্যক্রম জোরদার করেছে।…

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সব ধরনের ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়ানো রুখতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

নিউজ ডেস্ক: ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়ানো পোস্টে টুইটারের মতো এবার থেকে ট্যাগ বসিয়ে সতর্ক করা হবে ফেসবুকে। সম্প্রতি…

চীন-যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের দ্রুততম কম্পিউটার তৈরি জাপানের

নিউজ ডেস্কঃ চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের দ্রুততম কম্পিউটার তৈরি করে শীর্ষে চলে গেল…

হঠাৎ ৭০০ কোটি ডলারের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন ফেসবুকের সিইও জাকারবার্গ

নিউজ ডেস্কঃ হঠাৎ ৭০০ কোটি ডলারের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন ফেসবুকের সিইও জাকারবার্গ। ফেসবুক থেকে বড় বড়…

ভিভো ওয়াই৫০

নিউজ ডেস্কঃ সম্প্রতি দেশের বাজারে ‘ওয়াই৫০’ নামে নতুন স্মার্টফোন উন্মোচন করেছে ভিভো বাংলাদেশ। গত সপ্তাহের শেষদিকে এক অনলাইন অনুষ্ঠানে ডিভাইসটি প্রাক-ক্রয়াদেশের জন্য উন্মোচন করা হয়। ২৪ জুন থেকে ডিভাইসটি দেশের বাজারে পাওয়া যাবে। আকর্ষণীয় ডিজাইনের বাজেটসাশ্রয়ী এ ডিভাইসের বিভিন্ন ফিচার, স্পেসিফিকেশন ও দাম নিয়ে আজকের আয়োজন— কাঠামো: প্লাস্টিকের কাঠামোর ডিভাইসটির বডি ডাইমেনশন ১৬২ী৭৬.৫ী৯.১ এমএম নেটওয়ার্ক সমর্থন: জিএসএম, এইচএসপিএ, এলটিই সিম: ডুয়াল ন্যানো, ডুয়াল স্ট্যান্ডবাই ডিসপ্লে: ৬ দশমিক ৫৩ ইঞ্চি আইপিএস এলসিডি ক্যাপাসিটিভ টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে রেজল্যুশন: ১০৮০ী২৪০০ পিক্সেল ওএস: অ্যান্ড্রয়েড ১০ ভিত্তিক ফানটাচ ১০.০ চিপসেট: অক্টা-কোর কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬৬৫ মেমোরি কার্ড: মাইক্রোএসডি এক্সসি ডেডিকেটেড স্লট র্যাম ও অভ্যন্তরীণ স্টোরেজ: ৮ গিগাবাইট র্যাম সংস্করণে ১২৮ গিগাবাইট রিয়ার ক্যামেরা: ১৩, ৮, ২ ও ২ মেগাপিক্সেলের কোয়াড ফ্রন্ট ক্যামেরা: ১৬ মেগাপিক্সেল কানেক্টিভিটি: ব্লুটুথ, জিপিএস, এনএফসি, রেডিও, ইউএসবি সেন্সর: রিয়ার মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট, অ্যাকসেলেরোমিটার, প্রোক্সিমিটি, কম্পাস, ব্যারোমিটার…

বিল গেটস ও পিরব্রাইটকে জড়িয়ে ‌’ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’?

নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক মাস ধরেই এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বটা নানা আকারে ইন্টারনেটে ঘুরছে। তত্ত্বের মূল কথা:…

বাজারে এলো অ্যাপলের ‘ম্যাকবুক প্রো’

নিউড ডেস্কঃ নতুন সংস্করণের ‘ম্যাকবুক প্রো’ ল্যাপটপ বাজারে এনেছে অ্যাপল। দশম প্রজন্মের ইন্টেল প্রসেসরে চলা ১৩…

Show Buttons
Hide Buttons